প্রতিধ্বনি TV
     

প্রতিধ্বনি টেলিভিশনে দেশের সকল জেলা উপজেলা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। উদ্যোমী পরিশ্রমী সৎ নির্ভীক ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিক, যিনি সৃজনশীল মনন ও মানসে লালিত এবং বাঙালি জাতিসত্তা ও জাতীয় চেতনায় সদাজাগ্রত এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের আদর্শ ও প্রেরণায় উজ্জীবিত, এমন প্রগতিশীল ভাব ও ভাবনায় দীক্ষিত সংবাদকর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীদের সর্বনিম্ন এক বছরের অভিজ্ঞতা ও কর্মষ্ঠ হতে হবে। যে কোনো বিষয়ে নূন্যতম স্নাতক অথবা স্নাতক অধ্যয়নরত হতে হবে। ইংরেজি সাংবাদিকতা বা গণযোগাযোগে স্নাতক অথবা অধ্যয়নরত প্রার্থীরা অধিকতর গুরুত্ব পাবেন। আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন। যোগাযোগঃ ০১৮৩৭৩৩৮০৬০ (হটলাইন)

সুজনরা আছে বলেই এখনো রাজনীতির নীতি বেচেঁ আছে, মনুষ্যত্ব বেচেঁ আছে, বিবেক জেগে আছে।

| 20-05-2019 | 1307 পরিদর্শন

বি হোসেন -রাজাকার মুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, জঙ্গীবাদ মুক্ত বাংলাদেশ চাই, এ স্লোগান গুলো দিয়েই আমরা প্রতিনিয়ত রাজপথে মিছিল করি, আসলেই কি রাজাকার মুক্ত,জঙ্গীবাদ মুক্ত,সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পেরেছি ? এ প্রশ্নটির উত্তর অনেকটাই অমিমাংসিত ,এদেরই উদোক্তা, এদেরই এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী মুখোশধারী কিছু তথাকথিত সুশীল সমাজ নামক ব্যক্তিরা আমাদেরই ছায়ার তলে আশ্রয় নিয়ে আমাদেরই মাঝে বিশাক্ত সাপের বিষ বুনছে, যখনি কোন মহৎ ব্যক্তি, সামাজিক ব্যক্তি রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ব্যক্তিরা দেশের কল্যানে, জনগনের কল্যানে জনগনকে সাথে নিয়ে সরকার এবং জনগনের মাঝে সুসম্পর্ক তৈরী করার চেষ্ঠা, সরকারের উন্নয়ন বার্তা ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার পদক্ষেপ নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়, ঠিক তখনি সুধী সমাজ, সুশীল সমাজ নামক কিছু রাজাকার, আলবদর বাহিনীর এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ব্যক্তিরা সেই মহৎ ব্যক্তিদের বিরুদ্বে বিভিন্ন রকম দুর্নাম রটানোতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এরপর ও থেমে থাকবেনা আমাদের পথ চলা রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ একদিন প্রতিষ্ঠিত হবেই,
আর সেই লক্ষ্যকে সামনে নিয়েই ” নাগরিক ঐক্যের ” পথচলা, যে পথের যাত্রী সহযাত্রী রয়েছেন প্রিয়নেতা আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, রাজনীতিকে, মানুষের ভালবাসাকে পর করতে চাইলেও রাজনীতি এবং মানুষের ভালবাসা যাকে ছাড়েনা, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন সেই ব্যক্তি যিনি ছাত্ররাজনীতি থেকে আজো অবদি রাজনীতির মাঠে প্রান্তরে অবিচল বিচরন করছেন, স্বপ্নের ফেরিওয়ালা চট্রলবীর প্রয়াত আলহাজ্ব এবি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শিখিয়ে যাওয়া পথ অনুসরন করছেন এ নেতা, চট্রগ্রামের জনগনের অধিকার আদায়ে জনগনকে সাথে নিয়ে সব সময় রাজপথে বিচরন, মহেশখাল বাধঁ,, ওয়াসা, বিদ্যুৎ,গ্যাস, আবহাওয়া অধিদপ্তর, রেলওয়ে, পুলিশ প্রসাশন,, জেলা প্রসাশন সহ প্রতিটি দপ্তরে দপ্তরে প্রতিনিয়ত শুধু জনগনের দুঃখ দুর্দশার কথাই তুলে ধরেন, যেসময় থেকে রাজনীতিতে রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্বে নিয়োজিত ছিলেন, তখন থেকে চাইলেই রাজনীতিক সাইনবোর্ড, ব্যানার ব্যবহার করে নিজেকে ধনকুবের বানাতে পারতেন, কিন্তু নীতির কাছে বিবেকের কাছে তিনি ছিলেন এবং এখনো আছেন পাহাড়ের মতোই অটল, হয়ত টাকা পয়সা ধন সম্পত্তি অডেল নেই, তবে যে সম্পদ তার কাছে নীতি ,বিবেক আর ন্যায়পরায়নতা সেটিই বর্তমান সময়ে খুবই বিরল।হয়ত জনগনকে চাল, ডাল,শাড়ী, লুঙ্গী দেয়ার মতো সক্ষমতা উনার নেই, উনি এমন একজন ব্যক্তি জনগনকে তার কাছে আনার জন্য মিছিলের পরে টাকা দিতে হয়না, শাড়ী, লুঙ্গী দিতে হয়না।জনগনকে ওনার খুজতে হয়না, বরং জনগনই ওনার খোজ নেন, সুজনরা বেচেঁ আছে বলেই এখনো রাজনীতির চর্চা হয়, কর্মী তৈরী হয়, দলের সমতা তৈরী হয়,।
আসুন গুনীজনকে শ্রদ্বা করি, সম্মান করি ।