প্রতিধ্বনি TV
     

প্রতিধ্বনি টেলিভিশনে দেশের সকল জেলা উপজেলা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। উদ্যোমী পরিশ্রমী সৎ নির্ভীক ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিক, যিনি সৃজনশীল মনন ও মানসে লালিত এবং বাঙালি জাতিসত্তা ও জাতীয় চেতনায় সদাজাগ্রত এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের আদর্শ ও প্রেরণায় উজ্জীবিত, এমন প্রগতিশীল ভাব ও ভাবনায় দীক্ষিত সংবাদকর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীদের সর্বনিম্ন এক বছরের অভিজ্ঞতা ও কর্মষ্ঠ হতে হবে। যে কোনো বিষয়ে নূন্যতম স্নাতক অথবা স্নাতক অধ্যয়নরত হতে হবে। ইংরেজি সাংবাদিকতা বা গণযোগাযোগে স্নাতক অথবা অধ্যয়নরত প্রার্থীরা অধিকতর গুরুত্ব পাবেন। আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন। যোগাযোগঃ ০১৮৩৭৩৩৮০৬০ (হটলাইন)

এনজিও সংস্হার সেবা দারিদ্র বিমোচন, নাকি দারিদ্রতার আনয়ন ?

| 22-07-2019 | 58 পরিদর্শন

 

মাল্টিফারপাস, সমবায় সমিতির আদলে বিভিন্ন নামে দেশী বিদেশী বেশ কিছু এনজিও সংস্হা বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দর,শহরে, গ্রামে গন্জে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে,বিদেশী এনজিও গুলো মুলত অনুমোদন নিয়ে আসে পরিবার পরিকল্পনা , কৃষিতে উন্নয়ন, দারিদ্রতা, নিরক্ষরতা বিভোচন সহ কিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে , এখানে এসেই আমাদের দেশের সুধীসমাজ নামক ব্যক্তিদের খপ্পরে পড়ে তারা তাদের মুল লক্ষ্য থেকে অনেক দুরে সরে যায়, সব প্রকল্প বাদ দিয়ে সম্পুূর্ন কমার্শিয়াল হয়ে যায়, এবং তারা ঝুকে পড়ে ঋন ব্যবসার দিকে, বিভিন্ন জামানতের বিপরিতে বিভিন্ন অংকের ঋন দেয় দরিদ্র কৃষক, দিনমজুর, সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে,গ্রাহক ঋন আদায়ে ব্যর্থ হলেই, গোয়ালের গরু, ঘরের আসবাব পত্র, সহ হারাতে হয় সূর্বস্ব।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে যেখানে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা করেছেন বেকার যুবকদের সহজ শর্তে ঋন দেয়া হবে এবং হোক,
প্রধানমন্ত্রীর সেই ঘোষনাকে তোয়াক্কা না করে কিছু কিছু এনজিও সংস্হা সেবার নামে কসাইখানা খুলে বসেছে, দারিদ্রতা বিমোচনতো দুরের কথা বরঞ্চ প্রতিদিন নতুন নতুন দারিদ্রতার হার বাড়াচ্ছে, এসব সংস্হাগুলো তেল মাথায় তেল দিচ্ছে, অর্থাৎ যার কাছে দশলক্ষ টাকা আছে তাকে ৫ লক্ষ টাকা দিচ্ছে, এমনটিই জানালেন চট্রগ্রামের লালখান বাজারে অবস্হিত পদক্ষেপ নামের একটি এনজিও সংস্হার একজন মাটকর্মী বাবুল, অন্যদিকে ব্রাক ও লোন দিচ্ছে তবে অবশ্যই জায়গার অরিজিনাল কাগজপত্র জমা দিতে হয়, প্রশ্ন হচ্ছে ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা লোনের জন্য যদি ৫০ লক্ষ টাকার জায়গার কাগজ জমা দিতে হয় সেটা কোন ধরনের সহজ শর্ত ?

তাহলে এগুলোই কি এনজিও সংস্হাগুলোর দারিদ্রতা বিমোচন ?

এভাবেই কি দেশের সাধারন জনগন সেই বর্বরযুগের মতোই মহাজনদের বগলে আগলে থাকবে,

এ নীরব শোষন, নির্যাতনের কি কোনই প্রতিকার নেই ?

আসলেই কি এরা মানবসেবা করছে, নাকি অন্য কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য  কাজ করছে ?
এদের সকল কর্মকান্ড সরকারের নজরদারিতে আনা জরুরী।